তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, জানতে পেরেই হৃদরোগে মৃত্যু মায়ের! - VedasBD.com

Breaking

Saturday, 27 June 2020

তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, জানতে পেরেই হৃদরোগে মৃত্যু মায়ের!


দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত ছেলে। এই খবর শুনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল মাযের। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে হালিসহরের জেটিয়া পঞ্চায়েতের মালঞ্চ এলাকায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, মৃত বৃদ্ধার নাম ছায়ারানি সরকার (৮২)। অভিযোগ, শুক্রবার রাতে মালঞ্চ এলাকায় বিজেপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে বসে আলোচনা করছিলেন সক্রিয় বিজেপি কর্মী তাপস সরকার। সেই  সময় স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অশোক দাস ওরফে কালাচাঁদের নেতৃত্বে জনা চল্লিশেক তৃণমূল কর্মী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বেধড়ক মারতে থাকে।ছেলে তাপসের ওপর আক্রমণের খবর পেয়ে তার মা ছায়ারানি সরকার হৃদরোগে আক্রান্ত হন। রাতেই তার মৃত্যু হয়।


শনিবার এই সংবাদ পেয়ে দলীয় কর্মীর বাড়িতে যান ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং, বাগদার বিধায়ক দুলাল বর। ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূলকে দায়ী করে তাঁদের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ আনেন অর্জুন সিং। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা দলীয় অফিসের সামনে প্রকাশ্যে মদ্যপানের আসর বসিয়েছিল। তার প্রতিবাদ করেছিলেন তারা। এরপরে তাদেরকে গালিগালাজ করতে থাকে ওই বিজেপি কর্মীরা। এরপর দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি বেধে যায়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী তাপস সরকার জানান, ওইদিন রাতে জনসম্পর্ক যাত্রা কর্মসূচি শেষ করে বাড়ির দিকে রওনা দিয়েছিলাম। জেঠিয়া পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অশোক দাস ওরফে কালাচাঁদের নেতৃত্বে দলবল অতর্কিতে হামলা চালায়। ওরা আমাকে বেধড়ক পেটায়। রাতেই মায়ের কাছে ওই খবর পৌঁছতেই আতঙ্কিত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাপসের পরিবার সূত্রের খবর, ছেলের বড় কোনও ক্ষতির আশঙ্কা করেন তাঁর বৃদ্ধা মা ছায়ারানি সরকার। এরপর হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ছায়ারানিদেবী। এদিন সাংসদ দলীয় কর্মীর বাড়িতে পৌঁছে জানান, ছেলের ওপর আক্রমণ সহ্য করতে না পেরে ওর বৃদ্ধা মা মারা গেলেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনার পরিবারের সঙ্গে যদি এমন ঘটনা ঘটে, তখন আপনার ভাল লাগবে তো? তিনি আরও জানান, এই ঘটনার বিরুদ্ধে তারা রাজ্যপালের দ্বারস্থ হবেন এবং এই ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারায় মামলা করা হবে আদালতের মাধ্যমে।

No comments:

Post a comment