অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে বলির পাঁঠা বানানো বন্ধ করা হোক, রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে টুইট রাজ্যপালের! - VedasBD.com

Breaking

Wednesday, 27 May 2020

অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে বলির পাঁঠা বানানো বন্ধ করা হোক, রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে টুইট রাজ্যপালের!


রাজ্যপাল বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানো আর অন্যকে বলির পাঁঠা বানানো বন্ধ করা হোক। গ্রামীণ এলাকাতেও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে হবে। ওই এলাকাকে উপেক্ষা করা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী এসেছিলেন আম্ফান দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে কিন্তু তিনি এসে এক মঞ্চে সব পক্ষকে প্রায় তুলে নিয়েছিলেন। তার মধ্যে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকার। কিন্তু তিনি যেতে না যেতেই আবার শুরু হয় তর্ক বিতর্ক যেখানে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্য সরকার বনাম রাজ্যপালের লড়াই।

.
এদিন আম্ফান পরবর্তী বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে প্রবলভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে নিশানা করেন রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। তিনি লেখেন, ' বরিষ্ট মন্ত্রীরা যখন তাঁদের মতদ্বন্ধ জনসমক্ষে নিয়ে আসেন বা বিধায়ক জনরোষের শিকার হন, তখন বাস্তবচিত্রটা বড্ড বেশি প্রকট হয়ে পড়ে। সকালে তিনটি টুইট করেছেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। তাতে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে রাজ্যপাল লিখেছেন, “বিদ্যুৎ, জল এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক করতে হবে। এটা সংবাদমাধ্যমে লম্বা চওড়া ফিরিস্তি দেওয়ার সময় নয়। বরং দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়াই সময়।
.
এর আগে, আম্ফানের ত্রাণ ও শহরের উত্তেজনার পরিস্থিতি নিয়ে ফিরহাদ হাকিমকে তোপ দাগেন দলের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। তিনি বলেন, 'এটা মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নয়, এটা প্রশাসকের দায়িত্ব।' আম্ফান পরবর্তী পরিস্থিতি সামলাতে পারেনি পুরসভা এমনই অভিযোগ করেছেন দলেরই বিধায়ক সাধন পাণ্ডে। তিনি অভিযোগ করেছেন আম্ফান পরিস্থিতি সামলানোর জন্য আরও অনেক প্রস্তুতির প্রয়োজন ছিল। তার জন্য কারোর সঙ্গে কোনও আলোচনা করেনি প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।

No comments:

Post a comment