ত্রাণ বিলি নিয়ে রাজনীতি করছে প্রশাসন, পুলিশ আটকাচ্ছে বিজেপিকে, অভিযোগ দিলীপের! - VedasBD.com

Breaking

Tuesday, 31 March 2020

ত্রাণ বিলি নিয়ে রাজনীতি করছে প্রশাসন, পুলিশ আটকাচ্ছে বিজেপিকে, অভিযোগ দিলীপের!

ত্রাণ বিলি নিয়ে রাজনীতি করছে প্রশাসন, পুলিশ আটকাচ্ছে বিজেপিকে, অভিযোগ দিলীপের!


লকডাউনের জেরে অসহায় রাজ্যবাসীর জন্য ত্রাণ বিলি নিয়ে রাজ্য সরকার রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার অভিযোগ, তৃণমূল নেতাদের ক্ষেত্রে ত্রাণ বিলিতে ছাড় দিচ্ছে প্রশাসন। আর বিজেপির ক্ষেত্রে আটকাচ্ছে পুলিশ। এতদিন তারা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঘরে বসেছিলেন। এবার তারা সরাসরি নামবেন ত্রাণ বিলি করতে।
.
মঙ্গলবার সকালে বিধাননগরে বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত ত্রাণ বিলি করতে শুরু করলে পুলিশ তাকে আটকায় বলে অভিযোগ। সেই খবর পেয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সেখানে হাজির হন। সেখানেই রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনেন দিলীপ ঘোষ। লকডাউনের আবহে রাজনৈতিক কাজিয়া বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকলেও এবার যে আবার শুরু হতে চলেছে, তা এদিন দিলীপ ঘোষের কথাতেই  পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।
.
উল্লেখ্য, বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র তথা রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক বর্তমানে বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত বিগত দিনের মতো আজ সকালবেলা তার বাড়ি থেকে বের হন দুঃস্থ মানুষদের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী দিতে। সেই সময় বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ তার বাড়ির সামনে এসে তাকে বের হতে বারণ করে। সব্যসাচী দত্তের তরফ থেকে জানানো হয় তিনি বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটকে জানিয়েছিলেন যে, তিনি এই দুঃস্থ মানুষদের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী প্রদান করবেন। কিন্তু বিধাননগর কমিশনারেটের তরফ থেকে কোনও উত্তর আসেনি। এরপর পুরো বিষয়টি তিনি জানান বিজেপি’র রাজ্য দিলীপ ঘোষকে।
.
যেহেতু দিলীপ ঘোষ তার বাড়ির কাছে থাকেন। তাই দিলীপ ঘোষ সঙ্গে সঙ্গে চলে আসেন সব্যসাচী দত্তের বাড়িতে। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে পুলিশের বেশ কিছুক্ষণ কথা কাটাকাটি হয়। এরপর সব্যসাচী দত্ত পুলিশকে প্রস্তাব দেন আইন মেনে, দূরত্ব বজায় রেখেই তিনি সাধারণ মানুষকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস দেবেন। এরপর বিধাননগর পূর্ব থানার তরফ থেকে তাকে যেতে বলা হয় নিউটাউনে ডিসি অফিসে এবং সেখানে গিয়ে দরখাস্ত জমা দেন। এরপরেও পুলিশ কথা না শুনলে খবর পেয়ে দিল্লিতে বিজেপি’র কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে ফোনে কথা বলে সব্যসাচী দত্তকে আশ্বস্ত করেন দিলীপ। পরবর্তীকালে অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান তিনি। পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দিতে যেতে পারেননি সব্যসাচী দত্ত। অবশেষে তাঁর ওয়ার্ড অফিসে রেখে দেন সেই খাদ্যসামগ্রী। অনুমতি না পেয়ে শেষমেষ বাড়ি ফিরে যান সব্যসাচী দত্ত।

No comments:

Post a comment