হত্যার আগে রাতভর রিয়া ও তার মাকে নিয়ে মদ্যপান করেছিল মুসলিম যুবক শেখ সাদ্দাম হোসেন - VedasBD.com

Breaking

Tuesday, 25 February 2020

হত্যার আগে রাতভর রিয়া ও তার মাকে নিয়ে মদ্যপান করেছিল মুসলিম যুবক শেখ সাদ্দাম হোসেন

হত্যার আগে রাতভর রিয়া ও  তার মাকে নিয়ে মদ্যপান করেছিল মুসলিম যুবক শেখ সাদ্দাম হোসেন


বছর  দুই আগে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই শেখ সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে আলাপ হয় আয়েশা ওরফে রিয়া ওরফে কৌশানির। আর এর সাথে জড়িয়ে গেছে হলদিয়ায় মা মেয়ের খুনের রহস্য। সেই নিয়ে একাধিক মন্তব্য চলে আসছে ।
.
পুলিশ সূত্রে খবর মিলেছে যে , জেরার মুখে সাদ্দাম তাঁদের জানিয়েছেন, দুই বছরের সামান্য বেশি সময় আগে তাঁর আলাপ হয় নিউ ব্যারাকপুরের বাসিন্দা রিয়া দে-র সঙ্গে। সাদ্দাম জানায় সে নিজে নাকি জানতো না যে রিয়ার সঙ্গে একাধিক যুবকের সম্পর্ক রয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় তিনি দাবি করেছেন, যখন তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় রিয়ার, তখন সাদ্দাম অবিবাহিত ছিলেন। আর তাই ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করতে শুরু করেন সাদ্দাম অন্যদিকে রিয়া ফেঁসে যায় লাভ জিহাদে। এর মধ্যে আবার তদন্ত কারীরা জানতে পেরেছেন, ২০১৮ সালে সাদ্দামের সঙ্গে রিয়ার এতটাই ঘনিষ্ঠতা ছিল যে তাঁরা দুর্গাচকের হাজরা মোড়ের একটি বাড়িও ভাড়া  করে , আর প্রায়ই একসঙ্গে থাকতেন। 

.
অভিযুক্ত সাদ্দামের দাবি অনেক সময় রিয়া নাকি তাঁর মাকে নিয়েও আসতেন। এছাড়াও খবর মেলে নিয়মিত যাতায়াত ছিল সাদ্দামের। সেই সময়েই মা-মেয়েকে নিয়ে দিঘা মন্দারমণিতেও ছুটি কাটাতে গিয়েছেন সাদ্দাম। আরও অনেক কিছুই শোনা যায়। অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেন আরো জানিয়েছেন রিয়া একাধিক ফেসবুক আইডি খুলে তার নাম বদলে অন্য ছেলেদের সাথে সম্পর্ক রাখতেন। এমনকি তাকে ব্ল্যাকমেল করতেন রিয়া এবং তাঁর মা রমা। এক বছরে সব মিলিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা মা-মেয়ের পিছনে খরচ করেছেন সাদ্দাম।

.
এরপর রিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সমস্ত ছবি পৌঁছে দেওয়া হবে সাদ্দামের স্ত্রীর কাছে বলে হুমকি দেওয়া হতো ।১৭ ফেব্রুয়ারি রাতেও সাদ্দাম ওই ভাড়া বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনজন মিলে অনেক রাত পর্যন্ত মদ খাওয়া হয় । টাকা-পয়সা নিয়ে রমার সঙ্গে ঝামেলা বাধে সাদ্দামের। আর সেই কারনে মাঝ রাতে  মা-মেয়েকে অতিরিক্ত মদ্য পান করিয়ে বেহুঁশ করেন সাদ্দাম, বেহুঁশ অবস্থাতে সাদ্দাম তার নিজের সহযোগীদের সাহায্যে তাদের নিয়ে যান নদীর পাড়ে, এবং জীবিত অবস্থায় পুড়িয়ে খুন করা হয় তাঁদের। তবে এই ব্যপার নিয়ে এখনো কাটেনি রহস্য, তাই এখনও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


No comments:

Post a Comment