পাকিস্তানে ভয়ংকর পারমাণবিক গ্যাস লিক মৃতের সংখ্যা ২২ - VedasBD.com

Breaking

Monday, 17 February 2020

পাকিস্তানে ভয়ংকর পারমাণবিক গ্যাস লিক মৃতের সংখ্যা ২২

পাকিস্তানে ভয়ংকর পারমাণবিক গ্যাস লিক মৃতের সংখ্যা ২২

পারমাণবিক গ্যাস কতটা ভয়ঙ্কর ও প্রভাবশালী তা আমরা সকলেই জানি। রাশিয়ার চেরনোবিলের ঘটনা আজও আমাদের স্মৃতিতে রয়েছে , আর ঠিক তাই ঘটল আজ পাকিস্তানে। জানা গিয়েছে, গত রবিবার রাতে করাচির কেমারি অঞ্চলে এক ধরণের বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়েছে, যার দরুন ২২ জন মানুষ মারা গিয়েছেন, অসুস্থ হয়েছেন শতাধিক। এছাড়াও মৃত দেহের সংখ্যা লুকানো হয়েছে বলে দাবি করেছে স্থানীয়রা। অসুস্থ ব্যক্তিদের বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই বিষাক্ত গ্যাসকে অনেকেই পারমাণবিক গ্যাস হিসেবেও দাবি করেছেন।
.
এই বিষয়ে পাকিস্তানের উপকূলবর্তী অঞ্চলের মন্ত্রী টুইট করেছেন, “আমি পাকিস্তান নেভিকে অনুরোধ করেছি যে কেমরি অঞ্চলে হওয়া এই বিষাক্ত গ্যাসের লিকের সূত্র খুঁজে বের করা এবং এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। এই ঘটনায় নিউক্লিয়ার বিল কেমিক্যাল ড্যামেজ টিম উপস্থিত হবে। “

.
যদিও এই গ্যাস লিকের ব্যাপারে স্থানীয় পুলিশ বার্তা দিয়েছে যে, এটি কেমরি জেটি এলাকার কার্গো জাহাজে থাকা কিছু কেমিক্যাল থেকে বেরোচ্ছে। যদিও এই দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।
.
এছাড়াও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা 'গুরুতর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা'-য় ভুগছেন। তাদের করাচি-র ক্লিফটন অঞ্চলে একটি নিকটবর্তী বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা ভাইরাস আক্রান্ত হতে পারেন আশঙ্কায় সমস্ত রোগীকেই ওই হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে বিচ্ছিন্নভাবে রাখা হয়েছে।
 .
তবে কীভাবে তারা ওই গ্যাসের প্রভাবে এলেন, এবং ওই গ্যাসটি কী জাতীয় তাই নিয়ে ব্যাপক ধন্দ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, করাচি বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জাহাজ থেকেই এই গ্যাস লিক করেছে। তবে পুলিশ এবং করাচি পোর্ট ট্রাস্ট এই দাবি অস্বীকার করেছে।
.
করাচি পুলিশের এক বড় কর্তা জানিয়েছেন, কোনও জাহাজ বা ভেসেলে থাকা কোনও রাসায়নিক থেকে এই গ্যাস নির্গত হয়েছে তার স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। করাচি পোর্ট ট্রাস্টের মুখপাত্রও দাবি করেছেন আক্রান্তদের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছে করাচির রাস্তায়। বন্দরে নোঙর করা কোনও জাহাজ থেকে নির্গত গ্যাসে তাদের ওই পরিণতি হয়েছে তার কোনও প্রমাণ নেই।
.
গ্যাসটি কী প্রকৃতির তাই নিয়েও ধন্দ রয়েছে। অনেকেই বলছেন এই গ্যাসে বেশ কিছু বিষাক্ত রাসায়নিক উপস্থিত ছিল। আবার কারও কারও বক্তব্য ওই গ্যাসীয় বস্তুতে অজানা ভাইরাসও লুকিয়ে থাকতে পারে। কেউ কেউ তেজষ্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতির আশঙ্কাও করছেন।

No comments:

Post a comment