সম্পূর্ণ রূপে বাইবেল বিকৃত ও তার প্রমাণ - VedasBD.com

Breaking

Sunday, 27 January 2019

সম্পূর্ণ রূপে বাইবেল বিকৃত ও তার প্রমাণ

বাইবেল বিকৃত পর্ব ১

আদিপুস্তক ১/১

শুরুতে, ঈশ্বর পৃথিবী ও আকাশ সৃষ্টি করলেন।প্রথমে পৃথিবী সম্পূর্ন শূন্য ছিল। কিছুই ছিল না।

আদিপুস্তক ১/২
অন্ধকারে আবৃত ছিল জলরাশি।আর ঈশ্বরের আত্মা সেই জলরাশির ওপর দিয়ে ভেসে বেড়াচ্ছিল।

এটা হল বাইবেলের প্রথম ২ টা ভার্স।
সাধারনভাবে অযৌক্তিক মনে না হলেও গভীরভাবে দেখলে এর মিথ্যা প্রকাশ পায়।

পয়েন্ট-১: বাইবেল মতে ছয় দিনে সকল কিছু সৃষ্টি হয়। তবে এই দুটি ভার্স হল প্রথমদিনেরও আগের ঘটনা। তো সেটা কোন দিন ছিল তা ঈয়াহুয়া,যীশু বা পাদ্রীরা কেউই জানে না

পয়েন্ট -২:১/১ এ বলা আছে ঈশ্বর আকাশ সৃষ্টি করলেন। এটা কিভাবে সম্ভব? আকাশ মানে তো শূন্য, ফাকা empty. তো আগে যদি সেই শূন্যস্থান বা জায়গা না থাকত তো ঈয়াহুয়ার(খ্রীষ্ট ঈশ্বর) আত্মা কোথায় ছিল??
সে যদি শূন্য স্থানের সাথেই জন্ম নিয়ে থাকে তো, সে সৃষ্টিকর্তা হয় কীভাবে? তাকে(ঈয়াহুয়া) যে সৃষ্টি করেছে সেই সৃষ্টি কর্তা।

পয়েন্ট -৩:ভার্স ১/১ এ বলা আছে পৃথিবী শুন্য ছিল। এটা কী আদৌ সম্ভব!!!! বিভিন্ন উপাদান নিয়েই এই পৃথিবী। তো তা শূন্য থাকলে তাকে বলে আকাশ। সেটা পৃথিবী হয় কীরূপে??আর পৃথিবী হলে শূন্য হয় কীরূপে?

পয়েন্ট -৪:ভার্স ১/১ এ বলছে পৃথিবী শূন্য ছিল। আবার ১/২ এ বলছে পৃথিবীতে বিশাল জলরাশি ছিল।শুরুতেই পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য কেন??

পয়েন্ট -৫:পৃথিবীতে শুধু জল ছিল। কোন মাটি বা কঠিন পদার্থ ছিল না। কোন মহাকর্ষ বল ছিল না। তো সেই জলরাশিকে ঈয়াহুয়া আর যীশু কী কোলে করে ধরে রেখেছিল???
বিকৃত বাইবেল পর্ব -২

শুরুতে, ঈশ্বর আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করলেন| প্রথমে পৃথিবী সম্পূর্ণ শূন্য ছিল; পৃথিবীতে কিছুই ছিল না| (আদিপুস্তক 1:1)

অন্ধকারে আবৃত ছিল জলরাশি আর ঈশ্বরের আত্মা সেই জলরাশির উপর দিয়ে ভেসে বেড়াচ্ছিল| (আদিপুস্তক 1:2)

তারপর ঈশ্বর বললেন, “আলো ফুটুক!” তখনই আলো ফুটতে শুরু করল| (আদিপুস্তক 1:3)

আলো দেখে ঈশ্বর বুঝলেন, আলো ভাল| তখন ঈশ্বর অন্ধকার থেকে আলোকে পৃথক করলেন| (আদিপুস্তক 1:4)

ঈশ্বর আলোর নাম দিলেন, “দিন” এবং অন্ধকারের নাম দিলেন “রাত্রি|”সন্ধ্যা হল এবং সেখানে সকাল হল| এই হল প্রথম দিন| (আদিপুস্তক 1:5)


শুরু করছি পর্ব ২-

পয়েন্ট ১-বাইবেল মতে চাদ, সূর্য তৈরী হয় চতুর্থ দিনে। আদিপুস্তক ১/১৬

তবে প্রথম দিনে আলো ফুটলো কীভাবে??আদিপুস্তক ১/৩

পয়েন্ট ২- সূর্য ছারা দিন নির্নয় করলো কীভাবে???

পয়েন্ট ৩-যদি খ্রীষ্ট ঈশ্বর আগেই আলো ও অন্ধকার(চাদ,সূর্য ছারাই) তৈরী ও পৃথক করে থাকে, তো চাদ সূর্যের কী প্রয়োজন???

পয়েন্ট ৪- খ্রীষ্ট ঈশ্বর কী প্রথম দিনের পূর্বে অলস এর ন্যায় জলে শুয়ে ছিল? বাইবেল মতে প্রথম দিনের পূর্বে ঈয়াহুয়া কী করত???
বিকৃত বাইবেল পর্ব ৩

তারপর ঈশ্বর বললেন, “জলকে দুভাগ করবার জন্য আকাশমণ্ডলের ব্যবস্থা হোক|” (আদিপুস্তক 1:6)

তাই ঈশ্বর আকাশমণ্ডলের সৃষ্টি করে জলকে পৃথক করলেন| এক ভাগ জল আকাশমণ্ডলের উপরে আর অন্য ভাগ জল আকাশমণ্ডলের নীচে থাকল| (আদিপুস্তক 1:7)

ঈশ্বর আকাশমণ্ডলের নাম দিলেন “আকাশ|” সন্ধ্যা হল আর তারপর সকাল হল| এটা হল দ্বিতীয় দিন| (আদিপুস্তক 1:8)

পয়েন্ট ১: ঈশ্বর যদি প্রথমেই আকাশ বা আকাশমন্ডল তৈরী করে থাকেন (আদিপুস্তক ১/১) তবে দ্বিতীয় দিনে কোন আকাশ বা আকাশমন্ডল তৈরী করেছিলেন???

পয়েন্ট ২:বাইবেলে এ পর্যন্ত শুধু শূন্য পৃথিবী(যাতে কিছুই ছিল না), আকাশ ও জল সৃষ্টির কথা পাওয়া যায়। তো ভূমি কে তৈরী করল.???

পয়েন্ট ৩:চাদ, সূর্য সৃষ্টিই হলো না আবার দিন রাত হয় কীভাবে???

যাদের বাংলা বাইবেল ও দিন নিয়ে শঙ্কা আছে তারা হিব্রু বাইবেল হতে সত্যতা দেখে নিন।
বিকৃত বাইবেল পর্ব -৪
ঈশ্বর শুকনো জমির নাম দিলেন, “পৃথিবী” এবং এক জায়গায় জমা জলের নাম দিলেন, “মহাসাগর|” ঈশ্বর দেখলেন ব্যবস্থাটা ভাল হয়েছে| (আদিপুস্তক 1:10)
তখন ঈশ্বর বললেন, “পৃথিবীতে ঘাস হোক, শস্যদায়ী গাছ ও ফলের গাছপালা হোক| ফলের গাছগুলিতে ফল আর ফলের ভেতরে বীজ হোক| প্রত্যেক উদ্ভিদ আপন আপন জাতের বীজ সৃষ্টি করুক| এইসব গাছপালা পৃথিবীতে বেড়ে উঠুক|” আর তাই-ই হল| (আদিপুস্তক 1:11)
পৃথিবীতে ঘাস আর শস্যদায়ী উদ্ভিদ উত্পন্ন হল| আবার ফলদাযী গাছপালাও হল, ফলের ভেতরে বীজ হল| প্রত্যেক উদ্ভিদ আপন আপন জাতের বীজ সৃষ্টি করল এবং ঈশ্বর দেখলেন ব্যবস্থাটা ভাল হয়েছে| (আদিপুস্তক 1:12)
সন্ধ্যা হল এবং সকাল হল| এভাবে হল তৃতীয় দিন| (আদিপুস্তক 1:13)
পয়েন্ট ১-তৃতীয় দিন যদি পৃথিবী তৈরী করা হয় (আদিপুস্তক ১/১০) তবে প্রথম দিনেরও পূর্বে কোন পৃথিবী তৈরী করা হয়েছিল(আদিপুস্তক১/১)?????
পয়েন্ট ২- (আদিপুস্তক ১/১৬) মতে সূর্য চতুর্থ দিন তৈরী হয়।তো তার আগেই গাছপালা সৃষ্টি হয় কীভাবে?
পয়েন্ট ৩ -সালোকসংশ্লেষণ (সূর্যের রশ্মি) ছারা সবুজ উদ্ভিদ খাদ্য তৈরী করেছিল কীভাবে??
পয়েন্ট ৪- সকল জীব, জন্তু ও পাখি তৈরী হয় পঞ্চম দিনে(আদিপুস্তক ১/২০-২১), তাহলে পরাগায়ন ঘটলো কীভাবে? বীজ তৈরী হল কীভাবে তৃতীয় দিনে(আদিপুস্তক ১/১২)????
বিকৃত বাইবেল পর্ব -৫

তখন ঈশ্বর বললেন, “এখন এস, আমরা মানুষ সৃষ্টি করি| আমাদের আদলে আমরা মানুষ সৃষ্টি করব| মানুষ হবে ঠিক আমাদের মত| তারা সমুদ্রের সমস্ত মাছের ওপরে আর আকাশের সমস্ত পাখীর ওপরে কর্তৃত্ত্ব করবে| তারা পৃথিবীর সমস্ত বড় জানোয়ার আর বুকে হাঁটা সমস্ত ছোট প্রাণীর উপরে কর্তৃত্ত্ব করবে|” (আদিপুস্তক 1:26)

তাই ঈশ্বর নিজের মতোই মানুষ সৃষ্টি করলেন| মানুষ হল তাঁর ছাঁচে গড়া জীব| ঈশ্বর তাদের পুরুষ ও স্ত্রীরূপে সৃষ্টি করলেন| (আদিপুস্তক 1:27)

পয়েন্ট ১-আদিপুস্তক ১/২৬ এ ঈয়াহুয়া আর কাকে ডাকলেন, মানুষ সৃষ্টি করবার জন্য???

পয়েন্ট ২-আদিপুস্তক ১/২৬-২৭ অনুযায়ী ঈয়াহুয়া শরীরধারী তবে আদিপুস্তক ১/২ অনুযায়ী সে আত্মা।
তার শরীর তৈরী হলো কীভাবে??

পয়েন্ট ৩- ঈয়াহুয়া এডাম এর মত। তো তার কী মানুষের মত সকল চাহিদা রয়েছে???



No comments:

Post a Comment