কোরাআনের জঘন্যতম কিছু আয়াত - VedasBD.com

Breaking

Thursday, 17 January 2019

কোরাআনের জঘন্যতম কিছু আয়াত


সময় থাকলে দেখে নিন নিচের উল্লেখ করা আয়াতগুলো
------------------------------------------------------------------
 -আমি এখনই এই কাফেরদের অন্তরে ভীতির উদ্রেক করে দিচ্ছি। অতএব তোমরা তাদের ঘাড়ের উপর অঘাত হানো এবং জোড়ায় জোড়ায় আঘাত লাগাও।- ৮/১২

ঋণী আল্লাহ : তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে, আল্লাহকে “করযে হাসানা’ ( উত্তম ঋণ) দিতে প্রস্তুত ? তাহলে আল্লাহ তাকে কয়েক গুন বেশি ফিরিয়ে দেবেন। -২/৪৫

সপ্তম আসমানে আল্লা : “পরে যখন শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে। তখন ভূতল ও পর্বতরাশিকে উপরে তুলে একই আঘাতে চূর্ণ বিচূর্ণ করে দেওয়া হবে।...সেই দিন আকাশ দীর্ণ বিদীর্ণ হবে এবং তার বাঁধন শিথিল হয়ে পড়বে। ফেরেশতাগণ তার আশ পাশে উপস্থিত থাকবে। আর আটজন ফেরেশতা সেই দিন তোমার রবের আরশ নিজেদের উপর বহন করতে থাকবে।” ( কোরান, ৬৯/১৩-১৮)

রাগী আল্লাহ : তোমরা একমাত্র আমাকেই ভয় করো। আমার প্রেরিত কিতাবের প্রতি তোমরা ঈমান আনো, যা তোমাদের প্রতি যে কিতাব রয়েছে, তার সত্যতা প্রমানকারী।... আমার ক্রোধ হতে তোমরা আত্মরক্ষা করো।- ২/৪০, ৪১

হিংসুক : শেষ পর্যন্ত আমি তাদের ( খ্রিষ্টান) মধ্যে সকল সময়ের জন্য চিরন্তন দুশমনী ও পারস্পারিক হিংসা বিদ্বেষের বীজ বপন করে দিয়েছি।- ৫/১৪

নবীর দালাল : হে নবী,তুমি কেনো সেই জিনিস হারাম করো, যা আল্লাহ তায়ালা তোমার জন্য হালাল করেছেন ? তুমি কি তোমার স্ত্রীদের সন্তোষ পেতে চাও ? - ৬৬/১

ভুলো মনা :
আমি যে আয়াত বাতিল করি কিংবা ভুলিয়ে দিই, তার স্থানে তা অপেক্ষা উত্তম জিনিস পেশ করি, কিংবা অন্তত অনুরূপ জিনিস এনে দিই।- ২/১০৬

আমি যখন এক আয়াতের স্থানে অন্য আয়াত অবতীর্ণ করি, আর আল্লাহ ভালোই জানেন যে তিনি কী অবতীর্ণ করেন।- ১৬/১০১

মত বদলানো : হে ঈমানদার লোকেরা, তোমরা যখন রসূলের সাথে গোপনে একাকি কথাবার্তা বলবে, তখন কথা বলার পূর্বে কিছু সদকা দাও। তা তোমাদের জন্য কল্যানকর ও পবিত্রতর।.... তোমরা কি ভয় পেয়ে গেলে যে, একাকী কথা বলার পূর্বে তোমাদের সদকা দিতে হবে ? ঠিক আছে, তোমরা যদি তা না কর, আল্লাহ তোমাদেরেকে তা হতে ক্ষমা করে দিলেন, - ৫৮/১২,১৩

মুহম্মদকে ধমক : এই নির্দেশের সঙ্গে আমি এই আরবী ফরমান তোমার উপর অবতীর্ণ করেছি। এখন যদি তুমি তোমার নিকট আসা এই জ্ঞান বর্তমান থাকা সত্ত্বেও লোকদের মনস্কামনার অনুসরণ কর, তাহলে আল্লাহর মোকাবিলায় না তোমার কোনো সাহায্যকারী আছে, না তার পাকড়াও হতে কেউ তোমাকে বাঁচাতে পারে!- ১৩/৩৭

স্বেচ্ছাচারী : তিনি যাকে ইচ্ছা মাফ করে দেন ও যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন।-৫/১৮

আল্লাহর হুমকি : আমি তোমাদেরকে স্পষ্ট ভাষায় সাবধান করে দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কারো দাসত্ব করো না। অন্যথায় আমার আশংকা বোধ হচ্ছে যে, তোমাদের উপর একদিন পীড়াদায়ক আযাব আসবে।- ১১/২৫, ২৬

সন্ত্রাসী আল্লাহ :যে দিন আমি বড় আঘাত হানবো, সেই দিনই হবে যখন আমি তোমাদের উপর প্রতিশোধ নেবো ।- ৪৪/১৬

অসহায় আল্লাহ : হে ঈমানদার লোকেরা, তোমরা যদি আল্লাহকে সাহায্য করো, তাহলে তিনি তোমাদেরকে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের অবস্থা সুদৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করে দেবেন।- ৪৭/ ৭

ইসলামদের নিকট কিছু প্রশ্নঃ

আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়।”

এখানে কে কাকে বলতে বলেছে, মুহম্মদ তার অনুসারীদের, না আল্লাহ মুহম্মদকে ?

বাক্যটা যেহেতু মুহম্মদের মুখ দিয়ে বেরিয়েছে, সেহেতু ধরে নেওয়া যায় যে, মুহম্মদ তার অনুসারীদের উদ্দেশ্যে এই কথা বলেছে, তাহলে প্রমান হয় কোরান আল্লার নয়, মুহম্মদের বাণী। আর এই কথাটি যদি আল্লা, মুহম্মদের উদ্দেশ্যে বলতো, তাহলে বাক্যটি হতো এমন, “বল, আমি এক ও অদ্বিতীয়” কারণ, আল্লাহ তো কখনো নিজেকে আল্লাহ বলে সম্বোধন করবে না। এইটুকু ব্যাকরণ না বুঝে মুসলমানরা কেনো বাংলা ব্যাকরণের জনক সানাতনদের সাথে কথা বলতে আসে বা সনাতদের বিষয়গুলো নিয়ে চুলকায় ?

ঐ আয়াতেই আরো বলা হয়েছে, “আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নয়।”

আল্লা যদি কারো মুখাপেক্ষী না হয়, তাহলে পৃথিবীতে ইসলাম প্রচারের জন্য মুহম্মদকে তার এজেন্ট বানাতে হয় কেনো ? কেনো ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য মুসলমানদের হাতে তাকে অস্ত্র তুলে দিতে হয় (কোরান, ৮/১২) ?

আল্লা যদি কারো মুখাপেক্ষী না হয়, তাহলে তার ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে কেনো (কোরান, ২/৪৫) ?

এই আয়াতে আরো বলা হয়েছে, “তিনি কাউকে জন্ম দেন নি।”

তিনি যদি কাউকে জন্ম না দিয়ে থাকেন, তাহলে তো আল্লার সেক্স করার প্রয়োজন পড়ে নি বা পড়ে না। তাহলে আল্লা গনিমতের মালের ভাগ, যার মধ্যে যুবতী মেয়েরাও থাকে, সেই গনিমতের মালের ভাগ নিয়ে আল্লা কী করে (কোরান, ৮/৪১)?

এই আয়াতে আরো বলা হয়েছে, “এবং তাকেও জন্ম দেওয়া হয় নি।”

যদি তাকে জন্মই দেওয়া না হয়, তার যদি অস্তিত্বই না থাকে, তাহলে সে সাত আসমানের উপর স্থাপিত আরশে বসে থাকে কিভাবে ( কোরান, ৬৯/১৩-১৮) ? শুধু তাই নয়, সেই আল্লার যদি মানুষের মতো জন্মই না হয়ে থাকে, তাহলে সে কিভাবে মানুষের মতো রাগে (কোরান, ২/৪০, ৪১); মানুষের মধ্যে অমানুষের মতো হিংসা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে (কোরান, ৫/১৪); নবীর জন্য দালালি করে (কোরান, ৬৬/১); ভুলে যায় (কোরান, ২/১০৬, ২/১০৬); মত বদলায় (কোরান, ৫৮/১২,১৩); মুহম্মদকে ধমক দেয় (কোরান, ১৩/৩৭); স্বৈরাচারের মতো যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেয় ও যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করে দেয় (কোরান, ৫/১৮); অমুসলিমদেরকে হুমকি দেয় (কোরান, ১১/২৫, ২৬); সন্ত্রাস করে বেড়ায় (কোরান, ৪৪/১৬); অসহায় হয়ে পড়ে (কোরান, ৪৭/ ৭); এছাড়াও আল্লার রয়েছে বহু অমানবিক দোষ, প্রাণীর মতো আল্লার যদি জন্মই না হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহর এসব জৈবিক দোষ আসে কোথা থেকে ?

No comments:

Post a comment