কোরআন বিকৃত হয়ে গেছে মুহাম্মদের সময়েই - VedasBD.com

Breaking

Thursday, 25 October 2018

কোরআন বিকৃত হয়ে গেছে মুহাম্মদের সময়েই

আহমেদ দিদাদ, তার শিষ্য জাকির নায়েক, যুবায়ের আহমেদ সহ অনেকে দাবি করে আসছেন যে ‘কুরআন বিন্দু মাত্রও পরিবর্তীত হয় নি।’ তাদের দাবি কুরআন হলো বিশ্বের একটিই মাত্র গ্রন্থ যা অবিকৃত অবস্থায় রয়েছে।
.
আসুন আমারা দেখি! কুরআন সত্যই কি বিন্দু মাত্রও পরিবর্তন হয় নি?
.
আমরা দেখব, ‘কুরাআন সম্পর্কে সাধারন মানুষের ধারনা কি?’
.
অনেক মুসলমান মনে করেন, ‘কুরআন সরাসরি বেহেস্ত থেকে এসেছে।’ অবস্য কুরআনে এই কথা এক জায়গায় লেখা আছে[সুরা কাদার আয়াতঃ১]।
.
বিষয়টি খুব সহজ সরল মনে হচ্ছে তাই ত? কিন্তু বিষয়টি এতটা সহজ নয়। কেন জানেন?
.
১ম কারনঃ হযরত মুহাম্মদ নিজেই আয়াত মুখস্ত রাখতে পারতেন না, বরং ভুলে যেতেন। আর তিনি বলতেন আল্লাহর কারনে তিনি আয়াত ভুলে যেতেন।

Narrated Abdullah: The Prophet said, "Why does anyone of the people say, 'I have forgotten such-and-such Verses (of the Qur'an)?' He, in fact, is caused (by Allah) to forget." Sahih Bukhari 6:61:559
.
আপনি নিজেই চিন্তা করুন! যে ব্যক্তি নিজেই কুরাআনের আয়াত ভুলে যেতেন তিনি কিভাবে কুরআনকে বিকৃত হাত থেকে উদ্ধার করতে পারনে? যিনি নিজেই আয়াত ভুলে যান! তার জীবন কালেই কুরাআন সঠিক ছিল কিনা তাই নিয়েই প্রথমেই সন্দেহ আসে? কারন মুহাম্মদের সাহাবারা ত সম্পূর্ন কূরআন জানতেন না! মুহাম্মদের মুখে যা শুনতেন তাই স্মরন রাখার চেষ্টা করতেন।কিন্তু মহাম্মদ নিজেই যে নাজিল হওয়া আয়াত ভুলে যেতেন তা থেকে সাহাবারা কিভাবে কুরআনকে বিকৃতের হাত থেকে রক্ষা করতে পারত! তার ত কোন পথ ছিল না।
.
২য় কারনঃ মুহাম্মদের মৃত্যুর পরে রাজমের [পাথর মেরে হত্যার] আয়াতটি হারিয়ে যায়। সহি হাদিস বর্ননা করে কিভাবে এটা ঘটেছিল। একটি ছাগল এসে রাজমের [পাথর মেরে হত্যার] আয়াতটি যেটা একটি কাগজে লিখে রাখা হয়েছিল তা খেয়ে ফেলেছিল। তার কারনে কুরআন থেকে এই আয়াতটি চিরতরে মুছে যায়।
.
আয়শা বর্ণিত-পাথর মারা ও প্রাপ্ত বয়স্কদেরকে স্তন্য পান করানোর বিষয়ে যে আয়াত নাযিল হয়েছিল,
তা একটা পাতায় লিখে আমার বিছানার নিচে রাখা হয়েছিল। যখন নবী মারা গেলেন তখন আমরা তার
দাফন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, তখন একটা ছাগল ঘরে ঢুকে আয়াত লেখা পাতা খেয়ে ফেলে। Ibn Majah 3:9:1944
.
যখন ছাগলে আল্লাহর কালাম চিবিয়ে খেয়ে নিল, তখন মুহাম্মদের সাহাবার এবং বিশেষ করে হযরত ওমর এই বিষয়ে বেশী চিত্নিত হয়ে পড়লেন আর নিজেরাই বলা বলি করতে লাগলেনঃ
.
ইবনে আব্বাস বর্ণিত- ওমর বললেন, আমার ভয় হয় অনেক দিন পার হয়ে গেলে। লোকজন বলাবলি করতে পারে -“ আমরা কোরানে রজম(পাথর মেরে হত্যা)
সম্পর্কে কোন আয়াত পাচ্ছি না এবং অত:পর তারা আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ম ভূলে বিপথগামী হয়ে যেতে পারে।দেখ, আমি নিশ্চিত করে বলছি, যেই ব্যভিচার করবে তার ওপর পাথর মেরে হত্যার শাস্তি কার্যকর করা হোক এমনকি যদি সে বিবাহিত হয়, অথচ তার অপরাধ যদি সাক্ষী বা গর্ভধারণ বা স্বীকারোক্তি দ্বারা প্রমানিত হয়, তাহলেও”। সুফিয়ান যোগ করল, “আমি বিবৃতিটি এভাবেই শুনেছিলাম যা আমি স্মরণ করি এভাবে যে ওমর আরও বলল-আল্লার নবী নিজেও পাথর মেরে হত্যার শাস্তি কার্যকর করেছিলেন এবং আমরাও তাঁর পর এটা কার্যকর করেছিলাম”। Sahih Muslim 17:4194
.
এখানে আমরা সহজেই দেখতে পাচ্ছি কুরআন বিকৃত হয়েছে মুহাম্মদের সময়েই। কারন প্রথমত তিনি নিজেই আয়াত ভুলে যেতেন আর দ্বিতিয়ত তার মৃত্যুর পর যে কুরআনের যে আয়াত ছিল তার মধ্যেও একটি আয়াত ছাগলে খেয়ে ফেলে এবং আল্লাহ কালাম বিকৃত করে দেয়। যার কারনে বর্তমান কুরআনে রাজামের কোন আয়াত নাই। আর সবে কাদরে আকাশ হতে কুরআন এসেছিল এটা ভুল বা মিথ্যা কারন মুহাম্মদের মৃত্যুর পর কুরআন লেখা হয়। তাই আমরা সহজেই বুঝতে পারছি কুরআন বিকৃত।।

No comments:

Post a comment